ঈদে আপনার ফেসবুক পোস্ট হতে পারে ‘বাসায় চুরির কারণ’
2026-03-19 - 06:20
এক বছর পর গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে যাচ্ছেন বেসরকারি চাকরিজীবী রিমন হাসান। ঝক্কি এড়াতে ভ্রমণ করবেন প্লেনে। বিমানবন্দরে পৌঁছে চেক-ইন করে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন, স্বপ্ন যাচ্ছে বাড়ি আমার...ট্রাভেলিং টু....। কয়েকশ রিঅ্যাকশন পড়লো। কেউ শেয়ার করলেন পোস্ট। বহু মানুষ জানলো তার ঢাকার বাসা এখন ফাঁকা। আত্মীয়-পরিজন জানলে তাতে সমস্যার কিছু নেই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনেক পোস্ট অন্যদের পেজেও সাজেশন হিসেবে যায়। যার লিস্টে কয়েক হাজার বন্ধু তার জানার সুযোগ নেই সবাই ভালো মানুষ কিংবা এর মধ্যে কোনো প্রতারক আছেন কি না। কোনো চোর-ডাকাত চক্র যদি আপনার বাসা ছাড়ার এই তথ্য জেনে যায় তাহলে সে সুযোগ নিতে পারে চুরির। রিমন সাহেবের ঘটনা কাল্পনিক হলেও এমন ঘটনাও ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে ঘটছে। এজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ধরনের চেক-ইন, বাসা ছেড়ে গ্রাম বা অন্য কোথাও যাওয়ার পোস্ট দিতে নিরুৎসাহিত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঈদ মানেই আনন্দ, ভ্রমণ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানোর প্রস্তুতি। কিন্তু এই আনন্দঘন মুহূর্তেই অদৃশ্য হুমকি হয়ে ওঠে এক শ্রেণির অপরাধী চক্র। দীর্ঘ ছুটিতে ফাঁকা হয়ে যাওয়া বাসাবাড়ি হয় তাদের প্রধান টার্গেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও কিছু দায়িত্ব আছে চুরি-ডাকাতি বা কোনো দুর্ঘটনা এড়ানোর ক্ষেত্রে। ঢাকা শহরসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আগের ঈদগুলোতে কী ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করেই এবারের ঈদনির্ভর কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হচ্ছে।-র্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, ফাঁকা বাসাবাড়িতে চুরি করা এই চক্রটি পরিকল্পিতভাবেই বাসায় নজরদারি করে। আর সময় বুঝে সুযোগ কাজে লাগায়। এদিকে ঈদের ছুটিতে নগরবাসীর ফেলে রেখে যাওয়া বাসা-বাড়ির বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তারা বলছেন, ঈদ কেন্দ্র করে প্রতি বছরই বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা বেড়ে যায়। তালা ভেঙে, গ্রিল কেটে কিংবা ফাঁকা বাসায় ঢুকে মূল্যবান মালামাল লুটের ঝুঁকি এ সময় বেশি থাকে। বিশেষ করে যেসব পরিবার আগাম কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় না বা ভবনের নিরাপত্তা গুরুত্ব দেয় না, তারা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকে। পুলিশের ভাষ্য, চোরচক্র সাধারণত আগেভাগেই তাদের টার্গেট নির্ধারণ করে রাখে। চক্রটি এই টার্গেট নির্ধারণ করতে, কোন বাসা দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকবে, সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিসিটিভির উপস্থিতি বা নিরাপত্তাকর্মী কতটা সচেতন- এসব বিষয় নজরদারির মধ্যে রাখে। আবার অনেক ক্ষেত্রে অস্থায়ী গৃহকর্মীসহ বাসায় অপরিচিত ব্যক্তিদের আনাগোনার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে ফাঁস হয়ে গেলে টার্গেটের মধ্যে পড়তে হতে পারে বলেও মনে করেন তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শ পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের ছুটিতে বাসা ফাঁকা রেখে যাওয়ার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি। শুধু প্রধান দরজা নয়, বারান্দা, রান্নাঘরসহ সব জানালা ও প্রবেশপথ ভালোভাবে বন্ধ আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে। রান্নাঘরের গ্রিল মজবুত আছে কি না তাও পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। দরজায় মানসম্মত তালা ব্যবহার করার পাশাপাশি বাড়তি নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত লক, চেইন লক বা ডিজিটাল লক ব্যবহার করা যেতে পারে। ভবনে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে সেগুলো সচল রয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে যেতে হবে, যাতে অপরিচিত কাউকে যাচাই ছাড়া ভবনে ঢুকতে না দেওয়া হয়। বাসা ছাড়ার আগে মূল্যবান জিনিসপত্র কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বা ছোট মূল্যবান সামগ্রী বাসার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে না রেখে নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা উচিত। প্রয়োজনে ব্যাংকের লকার বা নির্ভরযোগ্য অন্য কোনো নিরাপদ ব্যবস্থার আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। এমনকি ঘরে অতিরিক্ত নগদ অর্থ না রাখার পরামর্শও দিচ্ছেন তারা। সাধারণত চোরেরা এমন বাসাই টার্গেট করে, যেগুলো টানা কয়েকদিন অন্ধকার ও নির্জন থাকে। তাই টাইমার লাইট বা স্বয়ংক্রিয় আলোর ব্যবস্থা রাখা কিংবা পরিচিত কাউকে দিয়ে মাঝেমধ্যে লাইট জ্বালানো-নেভানোর ব্যবস্থা করলে ঝুঁকি কমে। এছাড়া অনেক চোরচক্র পাইপ বেয়ে উঠে রান্নাঘরের গ্রিল কেটে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ কারণে রান্নাঘরে একটি বাতি জ্বালিয়ে রাখা যেতে পারে বলেও পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য শেয়ার নয় বাসা ফাঁকা থাকবে এমন কোনো তথ্য প্রকাশ্যে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার পরামর্শ দিচ্ছে পুলিশ। তারা বলছেন, অনেকেই ভ্রমণের সময় ছবি, টিকিট কিংবা অবস্থানের তথ্য ফেসবুকে দেন, যা থেকে অপরাধীরা সহজেই বুঝে নিতে পারে যে বাসাটি ফাঁকা। তাই তাৎক্ষণিকভাবে এসব তথ্য প্রকাশ না করে ভ্রমণ শেষে শেয়ার করাই বেশি নিরাপদ। ফেসবুকে চেক-ইন ও ভ্রমণের ছবি দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিসি তালেবুর রহমান বলেন, ‘ডিবি ও সিটিটিসির সাইবার ক্রাইম ইউনিট বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে। প্রত্যেকের নিরাপত্তার দায়িত্ব তার নিজের। এরপরেও কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সহযোগিতা পেতে সাইবার ইউনিটে যোগাযোগ করতে পারে। এছাড়া ঈদে সার্বক্ষণিক সাইবার নিরাপত্তা দিতে ডিএমপিও প্রস্তুত।’ মূল্যবান জিনিস থানায় রাখার আহ্বান আসন্ন ঈদে ঢাকা ত্যাগ করার আগে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার বা গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি অরক্ষিত অবস্থায় না রেখে আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় রেখে যাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। একই সঙ্গে ঢাকায় কারও স্বজন না থাকলে মূল্যবান সম্পদ থানায় রেখে যেতে পারবেন বলেও জানান তিনি। ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি, মোবাইল টিম ও চেকপোস্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নগরবাসীর অনুপস্থিতিতে তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।-ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গত রোববার (১৫ মার্চ) ঈদে রাজধানী ঢাকার নিরাপত্তা পরিকল্পনা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেন, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নগরবাসীর ঈদযাত্রা সুগম করা এবং ফাঁকা রাজধানীর নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। রাজধানীবাসী যেন নিরাপদে ও নির্ভাবনায় ঈদ উদযাপন করতে পারেন সেই লক্ষ্যে ডিএমপি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে। এসময় নগরবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার বা গুরুত্বপূর্ণ দলিল অরক্ষিত অবস্থায় রাখবেন না। এগুলো আপনার আত্মীয়স্বজনের বাসায় রেখে যাবেন। ঢাকায় যাদের স্বজন নেই তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রয়োজনে আমাদের পুলিশের সাহায্য নেবে অসুবিধা কী, এক্ষেত্রে থানায় রাখতে পারে। ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া নগরবাসীর বাসাবাড়ির নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি, মোবাইল টিম ও চেকপোস্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নগরবাসীর অনুপস্থিতিতে তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।’ আরও পড়ুন ঈদে বাড়ি ফেরা, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণের টিপস বাড়ি ফাঁকা রেখে যাচ্ছেন? আগে করে নিন এই কাজগুলো ঈদ প্রস্তুতিতে ভুলবেন না এই ৫ স্বাস্থ্যবার্তা নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে র্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঢাকা শহরসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। আগের ঈদগুলোতে কী ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করেই এবারের ঈদনির্ভর কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘বাড়তি চেকপোস্টের পাশাপাশি আমাদের থাকছে অতিরিক্ত টহলের ব্যবস্থা। এভাবে সব পরিকল্পনা মাথায় রেখে কার্যক্রম সাজানো হচ্ছে যেন ঈদের সময় কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম না থাকে। ছিনতাই-রাহাজানির এই কাজগুলো বিশেষ কিছু সময় বেশি হয়। সেই সময়গুলো নির্ধারণ করে আমাদের টহল কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করা হবে।’ পাশাপাশি ঈদে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল টিম সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত ও র্যাব হেডকোয়ার্টারের সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিকভাবে চলমান থাকবে বলে জানান তিনি। ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া নগরবাসীর বাসাবাড়ির নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে র্যাবের মুখপাত্র বলেন, ‘ঈদের সময় ঘরবাড়িতে চুরির ঘটনা বাড়ে। ওই সময়ে আমাদের ১৫টি ব্যাটালিয়ন ঢাকা শহরসহ সারাদেশে একযোগে অভিযান পরিচালনা করবো ইনশাল্লাহ।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে র্যাব-২ এর উপ-অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি খালিদুল হক হাওলাদার বলেন, ‘নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাজধানীর চার-পাঁচটা ফোকাল পয়েন্টে আমরা নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে নজর রাখছি।’ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন বাস ও রেলস্টেশনে আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে, যাতে ঘরমুখী সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হয়। মানুষ রাজধানী ত্যাগ করার পর যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে সেজন্য মহানগরীতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছি।’ ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া নগরবাসীর বাসাবাড়ির নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি, মোবাইল টিম ও চেকপোস্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নগরবাসীর অনুপস্থিতিতে তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।’ জরুরি প্রয়োজনে যে সব নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে যে কোনো নিরাপত্তায় প্রয়োজনে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কন্ট্রোল রুম ০১৩২০০০১৩০০, ০১৩২০০০১২৯৯, হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ০১৩২০১৮২৫৯৮, রেলওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ০১৩২০১৭৭৫৯৮, নৌপুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ০১৩২০১৬৯৫৯৮, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ০১৭৭৭৭২০০২৯ নম্বরে এবং জেলা পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধও জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। এছাড়াও যে কোনো ধরনের সমস্যায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। কেআর/এএসএ/এমএফএ