মহাসড়কে গাড়ির চাপ থাকলেও যানচলাচল স্বাভাবিক
2026-03-18 - 11:42
ঈদে নাড়ীর টানে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। ঈদকে ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি ও যাত্রীর বাড়তি চাপ থাকলেও ফাঁকা রয়েছে মহাসড়ক। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ঘুরে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কে আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ যানবাহন ও যাত্রী রয়েছে। এতে মহাসড়কে কোনো যানজট বা টিকিট পেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়নি যাত্রীদের। বেশিরভাগ যাত্রী আগাম টিকিট ক্রয় করে রেখেছেন। আবার অনেকে এখন এসে টিকিট পাচ্ছেন। এতে করে ফাঁকা মহাসড়ক পেয়ে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরতে পারছেন। শাহ আলম নামে এক যাত্রী বলেন, আমি কাউন্টার থেকে আগাম টিকিট কেটে রেখেছি। যার ফলে আমার এখন টিকিট নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। বাসের সার্ভিস খুব ভালো। ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় আমাকে সুপারভাইজার ফোন করে সময় বলে দেন। আমি ওই সময়মতো কাউন্টারে চলে আসি। মহাসড়ক ফাঁকা আছে, বাস আসতে বেশি সময় লাগবে না। প্রান্ত নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমি আগে পরিবারকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। গতকাল অফিস ছুটি দেওয়ায় আজ বাড়ি চলে যাচ্ছি, সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। কাউন্টারে এসে টিকিট ক্রয় করলাম। একটু পেছনের সিট পেয়েছি, তাতে সমস্যা নেই— একজন মানুষ কোনো মতে চলে যাব। আর সড়কে এখন পর্যন্ত কোনো যানজট নেই, সুতরাং রোজা রেখে কোনো ভোগান্তি পোহাতে হবে না। এ বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানান, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ৪২ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমাদের কোনো প্রকার গাফিলতি নেই। আমরা আশাবাদী, যানজটের কোনো ভোগান্তি হবে না। কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ বলেন, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আমাদের কাঁচপুর হাইওয়ে থানা থেকে ৮২ জন পুলিশ কাজ করছেন। মহাসড়ক ফাঁকা রয়েছে। সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি যাচ্ছেন। র্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চলাচল সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আটটি পয়েন্টে পেট্রোল টিম কাজ করছে। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্টও বসানো হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তায় সর্বদা র্যাবের সদস্যরা মাঠে আছেন। মো. আকাশ/আরএইচ/এএসএম