TheBangladeshTime

কড়া রোদে দর্শনার্থীর ভাটা সংসদ ভবন-জিয়া উদ্যানে

2026-03-23 - 10:01

রিকশা, সিএনজিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে জিয়া উদ্যানে আসছেন দর্শনার্থীরা। উদ্যানের কাচের ব্রিজে দাঁড়িয়ে তুলছেন ছবি, সেলফি। কেউ কেউ যাচ্ছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে। বিপরীত পাশেই সংসদ ভবন প্লাজা ও লেক। লেকপাড়ে গাছের ছায়ায় বসে নিরিবিলি সময় কাটাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। সড়কজুড়ে খাবারের পসরা নিয়ে বসেছেন হকাররা। আইসক্রিম, চটপটি, আখের রস খেতে দেখা গেলো অনেককে। হকাররা জানালেন, ঈদের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের তুলনায় আজ দর্শনার্থী কম। জিয়া উদ্যানের মতোই সংসদ ভবন এলাকায়ও দর্শনার্থীর চাপ ছিল কম। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে বিনোদনকেন্দ্র দুটো ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। চিড়িয়াখানা ঘুরে জিয়া উদ্যানে এসেছেন মাসুম-তন্নী দম্পতি। সঙ্গে তাদের সাত বছরের সন্তান রাদ। উদ্যান গেটের কয়েকটি স্থানে ছবি তুলে খুঁজছিলেন সিএনজি; যাবেন যাত্রাবাড়ী। মাসুম বলেন, অনেক গরম। কোথাও বসার উপায় নেই। বাসা থেকে চাদর আনিনি, না হলে উদ্যানে বসতাম। এখন চলে যাবো। ঈদের দুদিন বিভিন্ন জায়গায় পরিবার নিয়ে ঘুরেছেন খালিদ আহমেদ। তিনি থাকেন বসিলা। এই চাকরিজীবী বলেন, ঈদের দিন বুদ্ধিজীবী কবরস্থান ঘুরলাম। পরের দিন আত্মীয়স্বজনের বাসায় গেলাম। তিনি বলেন, ভালোই লাগছে। স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে আসলাম। জায়গা একটু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে, হকার কম থাকলে আরও ভালো লাগত। জিয়া উদ্যানের বেলুন বিক্রেতা আলমগীর বলেন, আজ একটু মানুষের চাপ কম। ঈদের দুদিন ৭০-৮০ পিস বেলুন বিক্রি করেছি। দুপুরের আগেই ১৫-২০ পিস বেলুন বিক্রি করি। আজ কয়েকটি বিক্রি করলাম। বিকেলের দিকে দর্শনার্থী বাড়বে। সংসদ ভবন এলাকায় দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল না। সেখানে হকারদের জটলা। সংসদ ভবন ফুটপাত-সংলগ্ন সড়কে দাঁড়িয়ে ছিল একাধিক গাড়ি ও রিকশা। কয়েকটি ঘোড়ার গাড়ি দর্শনার্থীদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল। চটপটির দোকানগুলো ক্রেতার জন্য প্রস্তুত করছিলেন বিক্রেতারা। খেজুরবাগান এলাকায় কথা হয় মিনহাজুল হক নামের একজনের সঙ্গে। তিনি বলেন, সংসদ ভবন এলাকায় দেখার কিছু নেই। খোলামেলা পরিবেশে বন্ধুদের নিয়ে গল্প করা যায়। কিন্তু হকারের ভিড়ে এখন সেই পরিস্থিতি নেই। এসএম/এসএইচএস

Share this post: