TheBangladeshTime

ছন্দার দুই জমজ মেয়েও অভিনেত্রী, বৃত্তি নিয়ে পড়তে গেলেন মালয়েশিয়ায়

2026-01-27 - 12:39

শিল্প-সংস্কৃতি চর্চার সঙ্গেই বেড়ে ওঠা দুই বোন টাপুর ও টুপুর। নির্মাতা বাবা সতীর্থ রহমান এবং অভিনয়শিল্পী মা গোলাম ফরিদা ছন্দা। বাবা-মায়ের হাত ধরে নানারকম শিল্পচর্চার নিয়মিত রিহার্সাল, শুটিং আর চরিত্র অনুশীলনের মধ্য দিয়েই শৈশব কেটেছে তাদের। তাই অভিনয় তাদের কাছে হঠাৎ পাওয়া কিছু নয়। বরং ধীরে ধীরে নিজেদের প্রস্তুত করে নেওয়ার একটি সচেতন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এসেছেন দুজনে। এরইমধ্যে কাজ করে নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন জমজ দুই বোন টাপুর-টুপুর। তবে আপাতত পড়াশোনাকেই প্রধান অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তারা। মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। সেখানে পড়বেন মাল্টিমিডিয়া ডিজাইন নিয়ে। করবেন স্নাতক। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুজনই ৩০ শতাংশ বৃত্তি পেয়েছেন। আরও পড়ুন সেই সাকিন সারিসুরি গ্রামে জাপান ডাক্তার, ভাসলেন আবেগে মাথায় মুকুট ও শহীদ হাদির কবরের মাটি নিয়ে সংসদে যাবেন মেঘনা আলম এ বিষয়ে মা গোলাম ফরিদা ছন্দা বলেন, ‘মেয়েদের আগে পড়াশোনা। সেই কারণেই মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছি। আশা করছি পড়াশোনার পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাবে।’ ২০১৬ সালে বাবার নির্মিত নাটক ‘খোলস’–এর মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন টাপুর ও টুপুর। এরপর অমিতাভ রেজা চৌধুরী, মাতিয়া বানু শুকু, চয়নিকা চৌধুরী, শুভ্র খানসহ একাধিক নির্মাতার নাটক ও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তারা। তবে পড়াশোনার কারণে দার্জিলিংয়ে অবস্থান করায় অভিনয়ে নিয়মিত থাকা সম্ভব হয়নি। এরপর আবারও অভিনয়ে সরব হন তারা। টাপুর প্রথম আলোচনায় আসেন সরকারি অনুদানের ছবি ‘দেশান্তর’–এ নাম লেখানোর মাধ্যমে। পরবর্তী সময়ে দুই বোনই একাধিক নাটকে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। দুই বছর আগে অনিমেষ আইচের ওয়েব ফিল্ম ‘মায়া’-তে একসঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন টাপুর ও টুপুর। পরে আলাদা কাজে ব্যস্ত হলেও দীর্ঘ সময় তাদের আর একসঙ্গে দেখা যায়নি পর্দায়। সেই বিরতি ভেঙে মালোশিয়া যাওয়া আগে ‘একদিন আমি চলে যাব’ শিরোনামের এই মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্মে একসঙ্গে শুটিং করেছেন তারা। এতে তাদের সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু। এটি পরিচালনা করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা জাকির হোসেন। এমআই/এলআইএ

Share this post: