লিটনকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, আফিফকে ফেরানো যে কারণে
2026-03-05 - 15:44
পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের স্কোয়াডে একাধিক পরিবর্তন এনেছেন নির্বাচকরা। দেড় বছর পর ফিরেছেন আফিফ হোসেন, এছাড়া এক সিরিজ পর আবার ওয়ানডেতে এলেন লিটন কুমার দাস। তবে শেষ সিরিজের দল থেকে অন্তত ৬ জন বাদ পড়েছেন। এর মধ্যে ২ জন চোটের কারণে বাকি চারজন সোহান-জাকের-নাসুম-শামীমরা জায়গা হারিয়েছেন ফর্মহীনতায়। দল ঘোষণার বিবৃতিতে এসব পরিবর্তনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশ ক্রিকে লিগে ৩ ম্যাচে এক সেঞ্চুরি করেন আফিফ। তার ব্যাটিং দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন লিপু। সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডেতে মিডল অর্ডারে ভুগতে দেখা গেছে বাংলাদেশকে। বিসিএল ফাইনালের পর নাজমুল হোসেন শান্তর মুখেও শোনা গেছে এই কথা। মিডল অর্ডারে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে সুযোগ দেওয়া হলেও আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় আবারও আফিফ হোসেনের ওপর আস্থা রেখেছে নির্বাচক প্যানেল। আফিফকে ফেরানো প্রসঙ্গে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বলেন, ‘আমরা মিডল অর্ডারে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে সুযোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কেউ কেউ তাদের জায়গা ধরে রাখার মতো পারফরম্যান্স করতে পারেনি। সেই কথা মাথায় রেখেই আফিফ হোসেনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সে অভিজ্ঞ এবং বর্তমানে তাকে বেশ ছন্দেই দেখা যাচ্ছে।’ ওয়ানডেতে লিটন কুমার দাসের সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে জায়গা হারান তিনি। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফেরার ম্যাচে ডাক মেরে আবার বাদ পড়েন দল থেকে। তবে এবার তাকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তাকে ওপেনিংয়ের বদলে মিডল অর্ডারের অপশন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ডানহাতি ব্যাটারকে নিয়ে লিপু বলেন, ‘লিটন দাসের সাম্প্রতিক ওয়ানডে ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, তবে সে তার খেলা নিয়ে কোচদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি সে দ্রুতই এই ফরম্যাটে নিজের সেরাটা দিতে পারবে। আমরা তাকে মিডল অর্ডার শক্তিশালী করার একটি অপশন হিসেবে বিবেচনা করছি।’ বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক হয় মাহিদুল ইসলাম অংকনের। ওই সিরিজে তিনি যত্রাক্রমে করেন ৪৬, ১৭, ৬। এই তরুণ উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ধরে রাখা প্রসঙ্গে লিপু বলেন, ‘মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে দলে রাখা হয়েছে এবং এটি তার জন্য একটি ভালো সুযোগ তার মধ্যে যে সম্ভাবনা রয়েছে তা প্রমাণ করার।’ এসকেডি/আইএন