রাজধানীতে রাতে সড়কে ঝরলো ৪ প্রাণ
2026-03-06 - 20:44
রাজধানীর তেজগাঁও ও সায়েন্স ল্যাবে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। তেজগাঁওয়ে দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- সিএনজি অটোরিকশার চালক মো. আলিম (৪০) ও যাত্রী মো. হারুনুর রহমান (৩২)। আর সায়েন্স ল্যাবে দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- সাজু আহমেদ সুমন (৪৫) ও তার মেয়ে সুমাইয়া আহমেদ তৃষা (১৯)। তেজগাঁওয়ে দুর্ঘটনায় হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা নাবিল জানান, হারুনুর রহমান স্ত্রী ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিএনজি অটোরিকশা করে বাসায় ফেরছিলেন। পথে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের চ্যানেল আই অফিস এলাকায় ইউটার্নে আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে চালক ও যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিএনজি চালক ও হারুনুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হারুনুর রহমানের স্ত্রী ও বোন জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। নিহত হারুনুর কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী থানার দশ কাহানিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের সন্তান। মহাখালীতে পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। এদিকে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরবাইক আরোহী সাজু আহমেদ সুমন ও তার মেয়ে সুমাইয়া আহমেদ তৃষা নিহত হয়েছেন। জানা গেছে, সাজু আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমাইয়াকে ঢামেকে নিয়ে আসা পথচারী মো. রুবেল জানান, রাত ১১টার দিকে মোটরসাইকেলে মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছিলেন সাজু আহমেদ। পথে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে ট্রাকের ধাক্কায় দুজনই ছিটকে পড়েন। এতে সাজু আহমেদ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে সুমাইয়াকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিউ মার্কেট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে সাজু আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের জরুরি বিভাগের মর্গে পাঠাই। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাক ও চালককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা চলমান। এসআই মাহমুদুল হাসান আরও বলেন, সাজু আহমেদ গণপূর্ত অধিদপ্তরে চাকরি করতেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। দক্ষিণ শাজাহানপুরে পরিবার নিয়ে থাকতেন। কাজী আল-আমিন/ইএ