পদ্মায় বাসডুবিতে নিহত বেড়ে ১৯
2026-03-25 - 23:00
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা আক্তার জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রাত ৪টা পর্যন্ত ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অধিকাংশ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র জানায়, বাসটি নদীর ৮০-৯০ ফুট গভীরে তলিয়ে যায়। এক পর্যায়ে বাসটি পন্টুনের নিচে আটকে যায়। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার বাসটি ধীরে ধীরে ওপরে তুলে আনে। বাসটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে দুর্ঘটনার সময় তাৎক্ষণিক ১১ জনের মতো যাত্রী বাস থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনার পরপর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে জোরালো অভিযান শুরু করে কর্তৃপক্ষ। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দলের সহযোগিতায় বাসটি উদ্ধার করা হয়। এ কাজে ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিসি, নৌপুলিশ, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থা যুক্ত রয়েছে। স্থানীয় ডুবুরিরাও উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, বাসডুবির ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি কমিটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহিদুল ইসলামকে প্রধান করে ও অপরটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মেকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব তিন দিনের মধ্যে ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ৩-৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিবেন। তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার ও আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। মুহূর্তে বাসটি পানিতে তলিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এন কে বি নয়ন/আরএইচ