TheBangladeshTime

টয়োটা বাংলাদেশের এমডিসহ তিন কর্মকর্তার জামিন

2026-03-05 - 15:34

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা মামলায় টয়োটা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) তিন কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে বিচারক প্রত্যেককে এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জামিনপ্রাপ্তরা হলেন টয়োটা বাংলাদেশের এমডি মালয়েশিয়ার নাগরিক প্রেমিত সিং, টয়োটা সুশো করপোরেশনের এশিয়া প্যাসিফিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাপানি নাগরিক আকিও ওগাওয়া ও টয়োটা সুশো করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার আসিফ রহমান। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই আদালত এ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, নাভানা লিমিটেডের ব্যবসায়িক স্বার্থ ক্ষুণ্ন করতে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ৯ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে শফিউল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওইদিন বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। মামলায় বলা হয়, বাংলাদেশে জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা সুশো করপোরেশনের ব্যবসায়িক অংশীদার নাভানা লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জন্য টয়োটা ব্র্যান্ডের একক বিপণনকারী হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তবে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে নাভানা লিমিটেডের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও পক্ষপাতদুষ্ট বাজার পরিস্থিতি ও কর্মদক্ষতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যার ফলে নাভানার ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক সৈয়দ সাজেদুর রহমান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা গ্রাহকদের অর্ডার করা যানবাহনের উৎপাদন ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করেন। পাশাপাশি কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ম্যানুফ্যাকচারার ইনভয়েস’ সরবরাহ না করে নাভানার স্বাভাবিক আমদানি ও সরবরাহ প্রক্রিয়া ব্যাহত করেন। এতে প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ক্ষতির মুখে এবং সুনামহানির পাশাপাশি কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতা ও জরিমানার ঝুঁকিতে পড়ে। এমডিএএ/একিউএফ

Share this post: