TheBangladeshTime

পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে জামায়াত নেতাকর্মীদের নামে মামলা

2026-03-26 - 09:21

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ যুব জামায়াতে ইসলামীর ৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তবে মামলাটিকে হয়রানিমূলক ও মূল ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা বলে দাবি করেছেন অভিযুক্তরা। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানা এ মামলা করেন। এ ঘটনায় তহিদুল ইসলাম কানন নামে সংগঠনটির এক কর্মীকে গ্রেফতার করছেন পুলিশ। পুলিশ জানায়, বুধবার পলাশবাড়ী যুব জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় ওসির রুমে প্রবেশ করে। এসময় অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খানকে অভিযোগটির যথাযথ গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য চাপ দেন। এ নিয়ে অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে জামায়াত নেতাকর্মীরদের মধ্য ব্যাপক বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তারা অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খানকে লাঞ্ছিত করেন। এসময় থানার কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে আসলে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম ও এক নারী কনেষ্টেবলসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। তবে পুলিশ এ অভিযোগ ও মামলাকে হয়রানিমূলক ও মূল ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা বলে দাবি করেছেন যুব জামায়াতের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, পলাশবাড়ী থানার ওসি স্বৈরাচারে দোসর। থানায় কোনো মানুষ প্রতিকার চাইলে গেলেই তিনি হয়রানি করেন। তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এক সময় আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছেন, বর্তমানে তিনি বিএনপির হয়ে কাজ করছেন। তারা জানান, গতকাল একটি সত্য ঘটনা নিয়ে থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি হঠাৎ যুব জামায়াতের নেতা কর্মীর ওপর চড়াও হন।এ সময় দুইজনকে লাঞ্চিত করেন। এই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিএনপির কিছু নেতাকর্মীদের ব্যবহার করছেন এবং আমাদের নেতাকর্মীদের নামে একটি হয়রানি মামলা করছেন। ঘটনার পর গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু কাওসার নজরুল ইসলাম লেবু, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি সার্কেল আবুল কাওছারসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান বলেন, পুলিশের ওপর হামলা ঘটনায় নয়জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। আনোয়ার আল শামীম/কেএইচকে/জেআইএম

Share this post: