TheBangladeshTime

মালয়েশিয়ায় শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীদের বিদেশিকর্মী নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা

2026-03-04 - 11:44

শ্রম আইন ভঙ্গ, আদালতের আদেশ অমান্য কিংবা জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) সংক্রান্ত অপরাধে দণ্ডিত নিয়োগকর্তাদের বিদেশিকর্মী নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সরকার। মানবসম্পদমন্ত্রী দাতোক সেরি আর. রামানান বলেন, সরকার শ্রমিকদের-বিশেষ করে অভিবাসী কর্মীদের যে কোনো ধরনের নির্যাতন বা শোষণের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, কেমেন্ত্রিয়ান সাম্বার মানুসিয়া (কেসুমা) শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। ১৯৫৫ সালের কর্মসংস্থান আইন (আইন ২৬৫)-এর ৬০কে ধারা অনুযায়ী বিদেশিকর্মী নিয়োগের অনুমোদনে কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনকারী নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার দেওয়ান রাকায়াত (সংসদ)-এ লিখিত জবাবে তিনি আরও জানান, শ্রম আইন কার্যকর করতে জেটিকে নিয়মিত তদারকি ও লক্ষ্যভিত্তিক পরিদর্শন জোরদার করেছে। মন্ত্রী বলেন, সেলায়াংয়ের সংসদ সদস্য উইলিয়াম লিয়ং জি কেন -এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য দেন। প্রশ্নে অভিবাসী কর্মীদের ওপর নির্যাতন, বিশেষ করে পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র আটকে রাখা এবং বেতনসংক্রান্ত অনিয়ম বন্ধে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হয়। রামানন জানান, বিদেশি কর্মীদের অভিযোগ জানানোর জন্য সহজলভ্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ই-পিপিএএক্স-এর আওতায় থাকা ‘ই-আদুয়ান’ অ্যাপের মাধ্যমে তারা সরাসরি অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। এছাড়া বিদেশি কর্মীরা ১৯৬৯ সালের কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা আইন (আইন ৪)-এর অধীনে সুরক্ষিত। এর আওতায় রয়েছে কর্মস্থল দুর্ঘটনা স্কিম এবং অক্ষমতা স্কিম। তিনি আরও বলেন, ২০২১-২০২৫ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন ফোর্সড লেবার’ সরকারের জোরপূর্বক শ্রম নির্মূলে অঙ্গীকারের প্রতিফলন। প্রতিরোধ, সুরক্ষা ও বিচার এই তিনটি কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সরকার এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড দমনে কাজ করে যাচ্ছে। এমআরএম/এএসএম

Share this post: