ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ, ফিরতিযাত্রায়ও গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া
2026-03-27 - 09:41
ঈদের টানা ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ। ঈদযাত্রার মতো ফিরতিযাত্রায়ও ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বাস টার্মিনালে। দূরপাল্লার পরিবহনের চাপে টার্মিনালে বেড়েছে গাড়ির জটলা। শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল ও দূরপাল্লার যাত্রী ওঠা-নামানোর বাস পয়েন্ট টেকনিক্যাল এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ফিরতিযাত্রায়ও গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া ঢাকায় পৌঁছে বাস থেকে নামা পর সিএনজি অটোরিকশা বা মোটরসাইকেলে গন্তব্যে যেতেও বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, গাবতলী বাস টার্মিনালের বিপরীত পাশে একের পর এক বিভিন্ন রুটের দূরপাল্লার বাস এসে দাঁড়াচ্ছে। কোনো কোনো বাস আবার গাবতলীতে যাত্রী না নামিয়ে টেকনিক্যালে নির্ধারিত পয়েন্টে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। বাস থেকে নেমেই যাত্রীরা যে যার মতো নির্দিষ্ট গন্তব্যের যানবাহন খুঁজতে ব্যস্ত। তাদের কেউ কেউ সিএনজি অটোরিকশার চালকের সঙ্গে দর কষাকষি করছেন। কেউ চেপে বসছেন মোটরবাইকে। দূরপাল্লার গাড়ির চাপে গাবতলী এলাকায় যানবাহনের জটলাও চোখে পড়েছে। ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবার নিয়ে ফরিদপুরের মধুখালী থেকে ঢাকায় এসেছেন সিরাজুল মমিন শামীম। সরাসরি বাস না পেয়ে ভেঙে ভেঙে আসতে হয়েছে তাদের। জানতে চাইলে তিনি বলেন, দূরপাল্লার বাসের টিকিট না পেয়ে লোকাল বাসে ঢাকায় এসেছি। তবে তেমন সমস্যা হয়নি। তবে পদ্মার এপারে আসার পর গাড়িতে উঠতে বাড়তি ভাড়া দিতে হয়েছে। আজ ১৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা নিয়েছে। ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় আসা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রান্ত রায় বলেন, পথে প্রচুর ভোগান্তি ছিল। সেতুতে প্রচুর যানজট। ঢাকায় ফিরতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, যদিও গাড়ির কন্ডিশনের ওপর ভাড়া ওঠানামা করে। তবে বাড়িতে যাওয়ার সময় একটু নরমাল কন্ডিশনের স্লিপার গাড়ি ভাড়া নিয়েছিল ১২০০ টাকা। আজকের গাড়ির কন্ডিশনটা একটুি ভালো ছিল। ভাড়া নিয়েছে ২০০০ টাকা। ‘মোহাম্মদপুর যাবো। বাস থেকে নেমে সিএনজি উঠতে গিয়ে দেখলাম বাড়তি ভাড়া চাইছে। গাবতলী থেকে মোহাম্মদ যেতে ভাড়া নিচ্ছে ৪০০ টাকা’- যোগ করেন এ যাত্রী। সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসা মতিন বলেন, গাড়িতে ভাড়া বেশি নিয়েছে। সাধারণ সময়ে যে ভাড়া নেয় আজ তার চেয়ে ১৫০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে। কেআর/এমকেআর