TheBangladeshTime

রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলার

2026-03-03 - 13:04

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিন শেষে রিজার্ভের এ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনশেষে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৩০ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারে। তার আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলারে। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৮ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। আর ৮ জানুয়ারির রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার আর বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ ছিল প্রায় ২৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। তবে আকুর দায় (১ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন) পরিশোধের পর তা কমতে থাকে। আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আর বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি মতে বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের টানা তিন মাস—ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে—প্রবাসীরা তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩০২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের মাস জানুয়ারিতে এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার এবং ডিসেম্বর মাসে এসেছে ৩২২ কোটি ডলার। দেশের ইতিহাসে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অনিয়ন্ত্রিত অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন কারণে রিজার্ভ ক্রমশ কমে গিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় তা নেমে আসে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন গভর্নর এখন পর্যন্ত রিজার্ভ থেকে এক ডলারও বিক্রি করেননি। পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকার আশপাশে স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হলেও বর্তমানে ডলার সংকট বা বাজারে কোনো হাহাকার নেই। ইএআর/এমএএইচ/

Share this post: