টেনে তোলা হয়েছে বাস, বের হচ্ছে একের পর এক মরদেহ
2026-03-25 - 18:41
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পড়ে যাওয়া বাস টেনে তোলা হয়েছে। বাস থেকে সর্বশেষ চারনারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ইতোমধ্যে বাসটির সামনের অংশ টেনে তোলা হয়েছে। এ সময় আরও দুইজন নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট চার জনের মরদেহ ও এক নারীকে জীবন্ত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো যাবে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত পৌনে বারটার দিকে নদীর পানির নিচে থাকা বাসটির সামনের অংশ উদ্ধার করা হয়। এসময় একের পর এক মরদেহ বের করতে দেখা যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে। প্রাথমিকভাবে আরও দুইজন নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পদ্মার পাড়ে ছোট বোন ফাতেমা তুজ জোহরা ও জামাই কাজী সাইফ আহমেদের খোঁজে এসেছেন রোকন। তিনি বলেন, আমার বন্ধুর ছোট বোন ও তার জামাই আজকে সাড়ে ৩টার বাসে রাজবাড়ী থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনে ঢাকায় যাচ্ছিল। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দৌলোদিয়ার পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। আমরা সাড়ে পাঁচটার দিকে সংবাদ পাওয়ার পর দৌলোদিয়া ঘাটে এসেছি। কিন্তু আমার ছোট বোন ও তার জামাইয়ের এখনও সন্ধান পাইনি। তাদের অপেক্ষায় আমরা রয়েছি। শরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, রাজবাড়ী থেকে আমার স্ত্রী, ছেলে সন্তান, মেয়ে সন্তান, ভাগনি ও ভাগনির ছেলে সৌহার্দ্য পরিবহন বাসে ওঠে। ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার পর আমার স্ত্রী, মেয়ে ও ভাগনি স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও আমার সাত বছরের ছেলে সন্তান ও এগারো বছর বয়সের ভাগনে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা আসলেও এখনও উদ্ধার অভিযান শুরু করেনি। আমার ছেলে ও ভাগনেতো আর নেই, এখন তাদের মরদেহ আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হোক। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। মুহূর্তে বাসটি পানিতে তলিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এন কে বি নয়ন/আরএইচ