নারীবাদে নারীর প্রকৃত অবস্থান বনাম পুরুষতান্ত্রিক দ্বিচারিতা
2026-03-08 - 04:04
আফরিন আলম অথৈ নারী সমাজের অর্ধেক অংশ। তাই নারীর স্বার্থে নারীবাদ চর্চার জন্ম হয়। এটি সমাজে বহুল আলোচিত একটি বিষয়। তবে বাংলাদেশে সুষ্ঠু নারীবাদের চর্চা হয়না বিধায় দেশের অধিকাংশ লোকের কাছে ‘নারীবাদ’ শব্দটি হাসির খোরাক হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা নারীবাদের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পশ্চিমা নারীবাদ মূলত চারটা ‘ওয়েভ’ এ বিভক্ত। ওয়েভগুলোকে নারীবাদ চর্চার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথম ওয়েভ (১৯শ শতকের শেষদিক থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত) এর সময় নারীদের আইনি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করা হয়। ২য় ওয়েভে (১৯৬০-১৯৮০ সাল) কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য, পারিবারিক ভূমিকা ও গৃহস্থলী কাজ, প্রজনন অধিকার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং কিছুক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ৩য় ওয়েভে (১৯৯০-২০১০ সাল) মূলত ২য় ওয়েভের সীমাবদ্ধতা ও সমালোচনা থেকে উদ্ভূত হয়। ৩য় ওয়েভে নারীবাদের মূল বিষয় ছিল-ব্যাক্তিগত পরিচিতি, বৈচিত্র্য এবং স্ব-সংঙ্গায়ন। নারীবাদীরা মনে করতেন একজন নারী এমন আচরণ ও কাজ করতে পারেন যা প্রথাগতভাবে ‘নারীরসুলভ’ মনে হলেও তিনি একজন প্রভাবশালী নারীবাদী হতে পারেন। তারা বুঝতে পারেন যে নারীর অভিজ্ঞতা বর্ণ, ধর্ম, জাতি এবং সামাজিক শ্রেণির মতো বিষয়ের উপর নির্ভর্শীল। এসময়ে তারা পপ-সংস্কৃতি, বিজ্ঞাপন ও গণমাধ্যমে নারীদের উপস্থাপনকে সমালোচনামূলকভাবে চ্যালেন্জ করেন। ৪র্থ ওয়েভে (২০১০সাল- বর্তমান) তৃতীয় ওয়েভের কাজগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রাসারিত আকারে প্রচার করে। বাংলাদেশে নারীবাদ আমাদের দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো বিশাল সংখ্যক নারী শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকার পাচ্ছে না। দেশে বহু অঞ্চলে এখনো বাল্যবিবাহ, যৌতুক প্রথা চলমান। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা, মায়েদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যের ঘাটতি এখনও দেখা যায়। এছাড়া যৌন হয়রানি, ধর্ষণের মতো অপরাধের মাত্রাও প্রবল। সেসব নারীদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করা প্রয়োজন। তবে এমন অবস্থায় খেয়াল রাখতে হবে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার পথে যেন কোনো ভুল নির্দেশনা দেওয়া না হয়। ২য় ওয়েভে পশ্চিমা নারীবাদ নারীদের স্বাতন্ত্র্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেও বর্তমানে তারা নারীদের সব ধরনের নিজস্বতা গুলোকে মূল্যায়ণ করছে। তবে বাংলাদেশে এখনো দ্বিতীয় ওয়েভ এর নারীবাদ চলমান। দেশের তথাকথিত শহুরে নারীবাদীরা নারীদের মূল সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব না দিয়ে, পুরুষের সদৃশ কাজ করাকে নারীবাদ বলে আখ্যায়িত করছে। এছাড়াও প্রতিটি আলাদা সমাজ ও সংস্কৃতির নারীদের অধিকার আদায়ের জন্য, সেসব আলাদা অঞ্চলের জাতিগত বৈচিত্র্য অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন পথ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ সব সমাজে একই মতবাদ বা ধারণা প্রচলিত নয়। সমাজে প্রচলিত এই দ্বিচারিতা থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন উদ্ভুদ্ধ হয়। প্রথমত বিজ্ঞাপন কিংবা সিনেমায় নারীর অবস্থান কেমন? মর্ডান নারীবাদ মাত্রই নারীকে সর্বদা প্রদর্শনী বস্তু হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। তারা যেখানেই নারীবাদ নিয়ে কথা বলে সেখানেই নারীর পোশাক আর যৌন স্বেচ্ছাচারিতার অধিকার নিয়ে আলাপ-আলোচনায় মূখ্য বিষয় হিসেবে স্থান পায়। এসব আলোচনার ভিড়ে একজন নারীর প্রকৃত-বুদ্ধিমত্তা, কর্মদক্ষতা ইত্যাদি মূল বিষয়গুলোকে দেখা হয় গৌণ ভাবে। এই সংস্কৃতি পৃথিবীর যে কোনো দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য সেটা যে ধর্মেরই দেশ হোক না কেন। তারা এমনভাবে নারীকে উপস্থাপন করে যেন নারীর মস্তিষ্কে কেবল একই জিনিস ঘুরপাক খায় আর সেটা হচ্ছে- ‘আমি একটা অবজেক্ট; আমাকে পৃথিবীর সব পুরুষের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।’ আধুনিক নারীবাদের নেপথ্যের মূল প্রতিপাদ্য যদি নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন না হতো, তবে নারী স্বাধীনতার সেক্টর হিসেবে বিজ্ঞাপনে নারীর দেহ প্রদর্শনীর রমরমা ব্যবসায়িক কালচার এত উত্তরোত্তর সাফল্য পেতো না। বিজ্ঞাপনে নারীদের মডেল হিসেবে উপস্থাপন করে মূলত তাদের প্রদর্শনীর বস্তু হিসেবে প্রস্তুত করা হয়।বিজ্ঞাপনগুলোকে ঘিরে মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলারের ব্যাবসা চলমান। সূক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখলে এই ব্যবসার মূল কেন্দ্র হয় নারীদেহ। বর্তমান সভ্য সমাজের নাগরিকেরা এই বিষয়গুলোকে বেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে। অন্যদিকে, অতীতের কিছু কিছু সমাজে যখন সরাসরি নারীদের ক্রয়-বিক্রয়ের প্রথা ছিল, সেই সমাজব্যবস্থা বর্তমান সময়ের লোকেদের কাছে অসভ্য এবং বর্বরতাময়। কিন্তু অতীতের বর্বর সমাজব্যবস্থা এবং বর্তমানের মিডিয়াকেন্দ্রিক নারীদের নিয়ে চলমান বাণিজ্য-দুইয়ের মধ্যাকার পার্থক্য খুবই নগণ্য। তাছাড়া কখনো কখনো সিনেমা এবং ‘আইটেম সং’ গুলোতে নারীদের উপস্থাপনের ভঙ্গি-সমাজে নারীদের অবস্থান, মর্যাদা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ। দ্বিতীয়ত অবৈতনিক মাতৃত্ব কি সমাজের বোঝা? কোনো একটি সমাজকাঠামো তে যখন পেশাগত শ্রেণিবিভাজন তৈরি হয়, তখন ক্ষমতায়ণ এর ধারণাও পাল্টাতে শুরু করে। বর্তমান সমাজে আমরা ব্যাপকভাবে পেশাগত বিভাজন কেন্দ্রীক শ্রেণিবৈষম্য দেখতে পাই। আধুনিক সমাজে তা লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের চেয়েও বিশাল আকার ধারণ করে। ফলে সমাজ মনোনিত উচ্চ পদগুলোতে থাকা ব্যক্তিই ক্ষমতাধর বলে বিবেচিত হন। কার উচ্চ পদের সঙ্গে অধিক আর্থিক লেনদেন এবং অর্থনৈতিক প্রভাব জড়িত। বর্তমান সমাজে অনেকেই ধারণা করেন অর্থই ক্ষমতার মূল উৎস। এমতাবস্থায় নারী যখন মাতৃত্বকে প্রধাণ কাজ হিসেবে বেছে নেন, তখন তার শ্রম থাকে অবৈতনিক এবং সমাজে স্বাভাবিকভাবেই তার ক্ষমতায়ণের সুযোগ সীমিত হয়। কিন্তু আমরা দেখি গৃহস্থালি কাজ কিংবা মাতৃত্ব কোনো ছোট, সহজ বা অগুরুত্বপূর্ণ কাজ নয়। বরং পরিবার-ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে, শ্রমশক্তি পূর্নগঠন ও একটি প্রজন্মকে গড়ে তুলতে এর গুরুত্ব অত্যাধিক। অর্থনীতির ভাষায় যাকে বলা হয় ‘সামাজিক পুনরুৎপাদন’। কিন্তু বর্তমান সমাজ যেহেতু অর্থকে ক্ষমতার মূল কেন্দ্র হিসেবে ধরে নিয়েছে, সেক্ষেত্রে নারীদের এই অবৈতনিক শ্রমগুলো অবমূল্যায়িত হয় এবং নারীর ক্ষমতা সীমিত হয়ে পরে। এমন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক চাপে পরে অনেক নারী এমন কাজের সঙ্গে জড়িত হচ্ছেন, যা তাদের আত্ম-সম্মানের পরিপন্থী। বিভিন্ন সেক্টরে নারীদের বস্তুকরণের সুযোগও তৈরি হচ্ছে এই অর্থকে কেন্দ্র করেই। এক্ষেত্রে নারীরা যেই আর্থিক-স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে চেয়েছিলেন-সেই আর্থিক স্বাধীনতা-ই পুনরায় তাদেরকে পুরুষের হাতের পুতুলে রূপান্তর করেছে এবং পুরুষতান্রিক শৃঙ্খলে আবদ্ধ করেছে। আর নারী হচ্ছে এই সমাজের বিশেষ অর্থনৈতিক লাভের ভান্ডার। যেখানে তাদের ব্যাক্তিসত্তা ও সামাজিক মূল্য অপেক্ষা আর্থিক সুবিধা কে বড় করে দেখা হয়। এরই সূত্র ধরে দ্বিতীয় ওয়েভের নারীবাদে ‘শিক্ষিকা’ কিংবা ‘সেবিকা’-র মতো কাজগুলোকে নারীসুলভ দুর্বল কাজ হিসেবে দেখানো হলেও নারী যখন ভোগবাদী সমাজের বিজ্ঞাপনের ‘মডেল’ হিসেবে চিত্রিত হয়, তখন সেটি নারীসুলভ ‘দুর্বল’ না হয়ে বরং ‘সাহসী’ উপাধি পায়। কারণ এক্ষেত্রে বিশাল অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত এবং ঠিক এমন মনোভাবপূর্ণ অবস্থাতেই সমাজে মাতৃত্ব বোঝা হয়ে ওঠে। নারীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধু অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় এনে বিচার করা কোনো সুষ্ঠু সমাজের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। তবে অবশ্যই অর্থনীতিতে নারীদের বুদ্ধি ও দক্ষতা ভিত্তিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। নারী ও পুরুষের একত্রে লড়াইয়ের ঐতিহাসিক তথ্য সৃষ্টির শুরু থেকে সংস্কৃতি এবং সভ্যতার উন্নয়নে নারী এবং পুরুষ নিজ নিজ জায়গা থেকে অবদান রেখে গেছে। মানুষকে শুরু থেকেই টিকে থাকার জন্য পরিবেশের সঙ্গে খাপ-খাওয়াতে হয়েছে। এই খাপ-খাওয়ানো কখনো হয়েছে সহজ কখনো কঠিন। কখনো বিরুপ আবহাওয়া ও বিশাল-বৈচিত্র্যময় প্রাণীকূলের সঙ্গে বেচে থাকতে লড়াইয়ে নামতে হয়েছে। এই লড়াইয়ে নারী এবং পুরুষ পরস্পর-পরস্পরের সহযোগী হয়েছে। প্রাকৃতিক নিয়মেই তাদের মাঝে পরিবার ও সমাজের প্রবর্তন হয়। এই পরিবার ও সমাজে নারী-পুরুষের ভূমিকা ছিল সহযোগীতাপূর্ণ। কিন্তু এরই মাঝে দ্বন্দ্ব কলহও এসেছে, একজন আরেকজনকে দমন-পীড়নের চেষ্টাও এসেছে।কিছুক্ষেত্রে হয়তো নারীর শারীরিক শক্তিমত্তা পুরুষের চাইতে কিছুটা কম ছিল এবং এই বিষয়টিই নারীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ালো। ‘জোড় যার মুল্লুক তার’ এই প্রবাদের প্রেক্ষিতেই কিছু পুরুষ নারীর এই বৈশিষ্ট্যটিকে দুর্বলতার একটি সুযোগ হিসেবে নিয়ে নারীকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। তাদের শাসনের আওতায় আনতে চেয়েছে। তবে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে মানবমুক্তির প্রতিটি বড় সংগ্রামে নারী ও পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। ফরাসি বিপ্লবে সাধারণ নারী-পুরুষ রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নতুন রাজনৈতিক চেতনার জন্ম দেয়। উপমহাদেশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে পুরুষ নেতাদের পাশাপাশি সরোজিনী নাইডু ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর মতো নারীরাও সংগ্রামের অগ্রভাগে ছিলেন। একইভাবে ভাষা আন্দোলন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারী-পুরুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাস বদলে দেয়। মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবি-এর মতো সাহসী নারীরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। এসব ঘটনা প্রমাণ করে ন্যায় ও স্বাধীনতার সংগ্রামে নারী-পুরুষের ঐক্যই ইতিহাসের প্রকৃত শক্তি। সঠিক উপায়ে নারীর অধিকার আদায় অবশ্যই নারী অধিকার নিয়ে কথা বলতে হবে। অবশ্যই সমাজে সম অধিকার অর্থাৎ একজন নারী ও পুরুষ নাগরিকের একটি সমাজে সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উচিত। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমান অধিকার থাকা উচিত। তবে সেই অধিকার গ্রহণের জন্য তাকে পুরুষের মতো হতে হবে, পুরুষের মতো কাজ করে সেই অধিকার গ্রহণ করতে হবে এমন মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। একজন নারী সে নারী হয়েই তার সমাজের সকল সুযোগ-সুবিধা গুলো ভোগ করার যোগ্য। নারীর মাতৃত্ব, নারীর শারীরিক সক্ষমতা, ব্যাক্তিবিশেষে নারীর আচরণের কোমলতা নারীর দুর্বলতা নয় বরং এগুলো নারীর নিজস্ব স্বাতন্রতা বলে বিবেচিত হওয়া উচিত। সমাজ এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে দুর্বলতা হিসেবে উপস্থাপন করে, পুরুষকে-অধিক সক্ষম, অধিক উপযোগী, অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে নারীকে পিছিয়ে রাখতে চায়। নারীবাদ চর্চার ক্ষেত্রে নারীদের এই স্বাতন্ত্র্যতাকে ধরে রেখেই তাদের শিক্ষা, আইনগত অধিকার, সম্পত্তির অধিকার, কর্মক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সমতা, চলাফেরায় নিরাপত্তা এবং সমাজে যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শনের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। নারীদের ব্যাক্তিগত ইচ্ছা কে মূল্যায়িত করতে হবে। তখনই সমাজে প্রকৃত সমতার অবস্থান তৈরি হবে।একজন নারী স্বাভাবিকভাবেই পুরুষের পাশাপাশি সমাজে অবদান রাখে। একজন নারীর সেই বৈশিষ্ট্য ও সক্ষমতা আছে, পুরুষের বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মাঝে ধারণ করে তার সমাজে অবদান রাখার প্রয়োজন নেই। আধুনিক নারীবাদ নারীকে পুরুষের খোলসে এনে তারপর তাদের অধিকার দেওয়ার কথা বলে। একজন প্রকৃত নারীকে তারা তাদের পাশে রাখতে প্রস্তুত নয়( নারীত্ব বলতে তারা শুধু বিজ্ঞাপন বা সিনেমায় নারীকে ভোগ্যবস্তু হিসেবে উপস্থাপন করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে) বরং নারীর আবরণ বদলে তারা সমতার কথা বলতে চায়। আসলেই নারীদের এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে কি? লেখক: শিক্ষার্থী, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, সহযোগী সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আরও পড়ুন নারী-শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে কীভাবে, কী ভাবছে এই প্রজন্ম? বাংলার যাত্রাপালার স্বর্ণযুগ ও ‘মরমী বধূ’ আজ শুধুই স্মৃতি কেএসকে