রংপুরে বেড়েছে সবজি-মুরগির দাম
2026-03-03 - 08:34
রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে কিছু সবজির। তবে দাম কমেছে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডাল, মাছ-মাংসসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকা। পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ২৯০-৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৮০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০-২০ টাকা বেশি। স্টেশন বাজারের মুরগি বিক্রেতা হোসেন আলী বলেন, দুদিন আগে থেকে মুরগির দাম একটু বাড়তি। এখন চাহিদা বেড়ে গেছে। এদিকে শসা গত সপ্তাহের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। লেবুর হালি ৩০-৪০ টাকা, চিকন বেগুন ৪৫-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, গোল বেগুন ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ১০০-১২০ টাকা থেকে কমে ১০০-১১০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০ টাকা, টমেটো আগের মতো ৩০-৪০ টাকা, গাজর ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, ফুলকপি ২০-২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা, বাঁধাকপির পিস গত সপ্তাহের মতোই ১৫-২০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা, দুধকুষি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, সজনে ১৭০-১৮০ টাকা, শিম ৩০-৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, বরবটি ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০-৯০ টাকা, করলা ১৩০-১৪০ টাকা থেকে লাফিয়ে ১৭০-১৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে, দেশি আদা ১৫০-১৬০ টাকা, বাজারে আসা নতুন দেশি রসুন ১০০-১১০ টাকা , পুরাতন রসুন ১৫০-১৬০ টাকা, আমদানি করা রসুন আগের মতোই ২২০-২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ১৫-২০ টাকা, সাদা আলু ২০-২৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২০-২৫ টাকা, শিল আলু ৩৫-৪০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহীন বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়তে শুরু করেছে। বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে গত সপ্তাহের মতোই ৩৪-৩৫ টাকা। তবে জেলা প্রশাসান ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে ৩২ টাকায় ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৯০-২১০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা থেকে কমে ১০০-১০৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪৫-৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, মিনারকাপ ২৪০-২৮০ টাকা, পাবদা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জিতু কবীর/এমএন/এএসএম