TheBangladeshTime

ঈদের কেনাকাটায় সরগরম বেইলি রোড

2026-03-06 - 23:04

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বেইলি রোডে বেড়েছে কেনাকাটার ব্যস্ততা। বাহারি ও নান্দনিক পোশাকের সমাহারে জমজমাট হয়ে উঠেছে এলাকার বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ ও পোশাকের দোকান। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর থাকছে পুরো এলাকা। বেইলি রোডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষে আনা হয়েছে নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক। বিশেষ করে সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেট, আর্টিসান, ইয়েলো, ইনফিনিটি, টাঙ্গাইল তাঁত ঘরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য নানা ধরনের পোশাকের সমারোহ দেখা যাচ্ছে। দোকানগুলোতে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, কুর্তা, ফতুয়া, শিশুদের ড্রেসসহ নানা ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শিশু থেকে তরুণ—সব বয়সী মানুষের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে বেইলি রোডের ফ্যাশন হাউজগুলোতে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেটের ‘ঢাকা-শু’ দোকানে দেশি ও বিদেশি জুতা পাওয়া যাচ্ছে। ভারতীয় জুতা পাওয়া যাচ্ছে সর্বনিম্ন ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া চায়না জুতা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া দেশি ব্র্যান্ডের জুতা রয়েছে ৭০০ থেকে শুরু করে ৪ হাজার পর্যন্ত। এই মার্কেটের ‘জেমস গ্যালারি’ ও ‘অনিকা কালেকশন’-এ বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি দেখা গেছে। এসব দোকানে সর্বনিম্ন ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানি থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে। এছাড়া ভারতীয় থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার টাকায়। অন্যদিকে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির’-এ ৯০০ টাকার নিচে কোনো শাড়ি নেই। এই শোরুমে সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের বিক্রয়কর্মী হিরক বলেন, ১০ রমজানের পর থেকে বেচাকেনা বেড়েছে। বিকেলের দিকে ইফতারের ভিড় থাকে। সন্ধ্যার পর থেকে বেচাকেনা বাড়ে। আমাদের এখানের শাড়ি ঐতিহ্যবাহী, কিছু ক্রেতা আছে ফিক্সড। আনিকা কালেকশনের এক বিক্রয়কর্মী বলেন, মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে। সব বয়সী মানুষ পরতে পারবে এমন থ্রি-পিস রয়েছে। পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি। ক্রেতারা বলছেন, পোশাকের ডিজাইন ও মান ভালো হলেও দাম তুলনামূলক একটু বেশি। মালিবাগের বাসিন্দা তৌহিদুর রহমান বলেন, এই এলাকায় খিলগাঁও আর বেইলি রোডেই মোটামুটি বেশি শপিং করা হয়। এবার বেইলি রোড আসলাম। এখানে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে পোশাক বেশি। এখানে বাজেটের মধ্যে শপিং করা কষ্টকর। তবে শাড়ি মোটামুটি মধ্য বাজেটের মধ্যে পাওয়া যায়। আমি শাড়ি নিতে আসছি। আরএএস/ইএ

Share this post: