হামলাকারীদের সহযোগী সিবিয়ন ও সঞ্জয় ৩ দিনের রিমান্ডে

2 min

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের পালাতে সহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার দুজনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি রিমান্ডে থাকা অবস্থায় আসামিদের পুলিশকে ঘটনা তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পল্টন থানার করা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি হলেন সিবিয়ন দিউ (৩২) ও সঞ্জয় চিসিম (২২)। আজ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) মতিঝিল আঞ্চলিক টিমের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক তদন্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার এই দুই আসামি ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত ও অজ্ঞাতপরিচয় সহযোগীদের অবৈধভাবে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে সরাসরি সহায়তা করেছেন। তাদের যোগাযোগ, চলাচল এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সংযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সিবিয়ন দিউ হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ও অবৈধ মালামাল পারাপারের একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন। তিনি ওই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য জুয়েল আড়েংয়ের ভাগনে।

মামলার তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, পরিকল্পনাকারীদের নির্দেশনা ও পরামর্শে গ্রেফতার দুজন হামলাকারীদের সীমান্ত পারাপারের ব্যবস্থা করেন। এ কারণে ঘটনার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং হত্যাচেষ্টার পেছনের অর্থদাতা ও মদদদাতাদের শনাক্ত করতে তাদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী দুর্বৃত্তরা চলন্ত অটোরিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

পরে তদন্তে জানা যায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। এ কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে গ্রেফতার দুই আসামিকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করে ডিবির মতিঝিল আঞ্চলিক টিম।

এমডিএএ/একিউএফ/এএসএম

No comments yet.

Back to feed